তিতাস একটি নদীর নাম, যা অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১৯১৪-১৯৫১) আমাদের শিখিয়েছিলেন আর ঋত্বিক ঘটক (১৯২৫-১৯৭৬) দেখালেন যে সেই নদী কীভাবে শুকিয়ে যায়। তথাপি একটা ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস পুরো ছবিটাকে ঘিরে থাকে। দীর্ঘশ্বাসের বুকে আজীবন ট্যাটু করা: যদি।কানে বাজে, অথচ পর্দায় উচ্চারিত হয় না।যদি দেশভাগ না হতো, যদি নদীটা না মরত, যদি ঘটক সুস্থ শরীরে ছবিটা শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে সম্পাদনা করতে পারতেন।
এই শেষ ‘যদি’টা কল্পনা নয়: ছবির প্রচলিত সংস্করণটি বাংলাদেশেই সম্পাদিত হয়েছিল তাঁর লিখিত অনুমতিতে, ঘটক তখন হাসপাতালে।তাই এ আলাপের নাম ‘তিতাস একটি যদির নাম’।ঘটকের ঢাকা পর্বের সঙ্গে বাংলাদেশের ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনেরও একটি সুতো জড়ানো। ঘটক ঢাকায় ছবি বানাতে এলে আন্দোলনের পথিকৃৎ মোহাম্মদ খসরু৩ (১৯৪৬-২০১৯) তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং একটি সাক্ষাৎকার নেন।
খসরুর হিসাবে, ওই সাক্ষাৎকার ভারতে ১৫-১৬ বার ছাপা হয়েছে, জায়গা পেয়েছে ১৮টি সাক্ষাৎকার-সংকলনে।
সূত্র: প্রথম আলো

দুই জাতীয়তাবাদের বাইরে নতুন প্রজন্মের পরিচয়ের সন্ধান
দুর্গম এলাকায় সাপের কামড়ে আহত বিজিবি সদস্য, হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো হাসপাতালে
ওই রাতে যা ঘটেছিল দীপের বয়ানে আদালতকে জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা
আন্দোলনকারীদের ৯০ শতাংশই শ্রমিক নন
পিএসসি ও ডেসকোর সমঝোতা: সরকারি ভবনে উৎপাদন হবে সৌরবিদ্যুৎ

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন