আবুধাবি টি-টেন লিগে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত। নিজেদের খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র দেওয়ার বিনিময়ে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করেছে...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
আবুধাবি টি-টেন লিগে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত। নিজেদের খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র দেওয়ার বিনিময়ে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করেছে...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর নিজ দলের ভেতর থেকেই নীতি ও কৌশল বদলাতে চাপে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান মিত্র ও কৌশলবিদেরা হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের রদবদল এবং প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ইরান যুদ্ধ ও শুল্কনীতির মতো যেসব বিষয়কে নির্বাচনে হারের কারণ মনে করা হচ্ছে, সেগুলো থেকে সরে আসার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা।
তবে গত মঙ্গলবারের ভোটে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েও কৌশল বদলানোর তেমন ইঙ্গিত দেননি ট্রাম্প। ওই রাতে ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘এটাকে আমার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছি না।’ কংগ্রেসের দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা এখন ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের প্রস্তাব আটকে দিতে, তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে এবং তাঁর মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগে বাধা দিতে পারবেন।
এতে নিজের কর্মসূচি এগিয়ে নিতে নির্বাহী ক্ষমতার ওপর ট্রাম্পের নির্ভরতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো
বিবাহবিচ্ছেদের মতো জটিল আইনি লড়াইয়ে আইনজীবীর বদলে এআই চ্যাটবটের সাহায্য নিচ্ছেন অনেকে। মুহূর্তেই মিলছে আইনি যুক্তি, মামলার কৌশল, এমনকি আদালতে জমা দেওয়ার মতো নথিও। কিন্তু এআইয়ের দেওয়া পরামর্শ অনুসরণ করতে গিয়ে কেউ কেউ পড়ছেন আরও বড় আইনি জটিলতায়।বিবাহবিচ্ছেদ কখনোই শুধু দুটি মানুষের সম্পর্কের সমাপ্তি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সম্পত্তির অধিকার, সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং দীর্ঘদিনের আবেগ-অভিমান।
সম্পর্ক ভাঙার পর অনেকেই মানসিক ও আর্থিক চাপে পড়েন। আইনজীবীর খরচ, আদালতের দীর্ঘ প্রক্রিয়া কিংবা আইনি বিষয় সম্পর্কে অজ্ঞতা তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তোলে। এই জায়গায় সহজলভ্য সমাধান হিসেবে সামনে এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।কয়েকটি প্রশ্ন লিখে দিলেই চ্যাটবট সাজিয়ে দিচ্ছে আইনি ব্যাখ্যা, সম্ভাব্য যুক্তি ও করণীয়।
কেউ জানতে চাইছেন, বিচ্ছেদের পর কত টাকা খোরপোষ দিতে হবে; কেউ জানতে চাইছেন, সন্তান কার কাছে থাকবে; আবার কেউ নিজের আইনজীবীর পরামর্শ যাচাই করতেও এআইয়ের সাহায্য নিচ্ছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
বিটিএস কিংবা ব্ল্যাকপিংক বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতকে আন্তর্জাতিক শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেন বোয়া। বিশেষ করে জাপানের সংগীতবাজারে তাঁর সাফল্য বদলে দিয়েছিল কে-পপের সম্ভাবনার হিসাব। ভাষা ও সংস্কৃতির বাধা পেরিয়ে তিনি প্রমাণ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার একজন শিল্পীও জাপানের মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে শীর্ষস্থান দখল করতে পারেন। আজ ৫ নভেম্বর ৪০ বছরে পা রাখলেন এই সংগীতশিল্পী।
প্রায় ২৬ বছরের সংগীতজীবনে নিজের অর্জনের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের কে-পপ শিল্পীদের জন্যও তৈরি করেছেন পথ।১৯৮৬ সালের ৫ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে জন্ম বোয়ার। তাঁর পুরো নাম কোওন বোয়া। মাত্র ১৩ বছর বয়সে সংগীতজগতে অভিষেক হয় তাঁর। ২০০০ সালের ২৫ আগস্ট প্রকাশিত হয় প্রথম অ্যালবাম ‘আইডি; পিস বি’। এর আগে ১৯৯৮ সালে এসএম এন্টারটেইনমেন্টের নজরে আসেন তিনি। এরপর প্রায় দুই বছর চলে গান, নাচ ও ভাষার প্রশিক্ষণ।
শুরু থেকেই তাঁকে আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল প্রতিষ্ঠানটির।বোয়াজাপানে সাফল্যের শুরু২০০১ সালের ৩০ মে ‘আইডি; পিস বি’ গানের জাপানি সংস্করণ দিয়ে জাপানের সংগীতবাজারে অভিষেক হয় বোয়ার।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন