advertisement

ডেমোক্র্যাট সমাজতন্ত্রীদের কতজন এবার কংগ্রেসে যাচ্ছেন, মামদানি–সমর্থিত প্রার্থীরা কি জয়ী হলেন

ডেমোক্র্যাট সমাজতন্ত্রীদের কতজন এবার কংগ্রেসে যাচ্ছেন, মামদানি–সমর্থিত প্রার্থীরা কি জয়ী হলেন
কংগ্রেসের নির্বাচিত প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও–কর্তেজ ও রাশিদা তালিব। দুজনই ডেমোক্র্যাট সমাজতন্ত্রী হিসেবে পরিচিত। ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ওয়াশিংটন
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

যুক্তরাষ্ট্রে গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের দুই কক্ষের মধ্যবর্তী নির্বাচনে একের পর এক বড় জয়ের পর ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাজতন্ত্রপন্থীরা বড় বিজয়ী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন। এখন তাঁদের নতুন একটি দল কংগ্রেসে যাচ্ছে।এই বছর প্রধান প্রধান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হাতে গোনা কয়েকজন প্রার্থী ছিলেন ‘ডেমোক্রেটিক সোশালিস্টস অব আমেরিকা (ডিএসএ)’–এর সদস্য।

তাঁরা নিজেদের ডেমোক্রেটিক সমাজতন্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।গত বছর নিউইয়র্ক নগরের মেয়র হিসেবে জোহরান মামদানি নির্বাচিত হন। তাঁর এই জয় ডিএসএর উত্থানে দ্রুত গতি দেয়। এরপর এই বছর তাঁরা কংগ্রেসের দলীয় প্রাথমিক বাছাই (প্রাইমারি) নির্বাচনে একের পর এক জয়ী হন।সমাজতন্ত্রীদের বেশির ভাগ জয় এসেছে ডেমোক্র্যাটদের নিরাপদ আসনগুলোয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাইমারি প্রচারে প্রার্থীরা মূলধারার ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করেছেন।

এরপর সাধারণ নির্বাচনে বামপন্থীদের এই প্রার্থীরা কেমন ফল করবেন, তা ছিল বড় পরীক্ষা।নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত ক্লেয়ার ভালদেজ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

জুলাই অভ্যুত্থানের এক হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে জুলাই অভ্যুত্থানের এক হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী নীলগাইয়ের চার শাবকের দুরন্তপনায় প্রাণবন্ত সাফারি পার্ক নীলগাইয়ের চার শাবকের দুরন্তপনায় প্রাণবন্ত সাফারি পার্ক ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাসের প্রথম যা কিছু ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাসের প্রথম যা কিছু ‘আমার মাইয়াটারে কেউ ফুসলাইয়া নিয়া ক্ষতি করি মারছে’ ‘আমার মাইয়াটারে কেউ ফুসলাইয়া নিয়া ক্ষতি করি মারছে’
advertisement

জুলাই অভ্যুত্থানের এক হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে

জুলাই অভ্যুত্থানের এক হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে
পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আদালতে তোলা হয়
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আমির হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে হেলমেট, হাতকড়া ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে আদালতের হাজতখানা থেকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাতকড়া পরিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় আনা হয়। এ সময় পুলিশ তাঁর হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও এক হাত থেকে হাতকড়া খুলে দেন। এ সময় তিনি তাঁর আইনজীবী ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলেন।

পরে বিকেল চারটা এক মিনিটে বিচারক এজলাসকক্ষে আসেন।এ সময় শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব রাগীব আদালতকে বলেন, মাননীয় আদালত আমরা আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন করিনি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করে জানুয়ারি থেকে কার্যকরসহ ১৫ দাবি জামায়াতের

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করে জানুয়ারি থেকে কার্যকরসহ ১৫ দাবি জামায়াতের
রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

পোশাকশ্রমিকদের জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয়, মূল্যস্ফীতি ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ন্যূনতম মাসিক মজুরি নির্ধারণ এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করাসহ নবগঠিত মজুরি বোর্ডের কাছে ১৫টি দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ দাবি জানান।সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি কোনো অনুগ্রহ নয়; এটি তার শ্রমের ন্যায্য অধিকার।

শ্রমিকের শ্রম ও উৎপাদনের ওপর দাঁড়িয়ে যে শিল্প ও অর্থনীতি গড়ে উঠেছে, সে শ্রমিকের জীবনমান উপেক্ষা করে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।মজুরি বোর্ডের নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ তুলে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ মজুরি বোর্ড গঠন করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে জাতীয় শ্রমিক দলের নেতা ও ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে রাখা হয়েছে।

অথচ বিরোধী দলের শ্রমিকসংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কাউকে এ বোর্ডে রাখা হয়নি।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আনম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও এহসানুল মাহবুব...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য দেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি খুলনা থেকে উত্তরের জেলা পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ জন্য বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে ধীরে ধীরে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট থেকে খুলনায় আসার পথে রূপসার তিলক এলাকায় এক পথসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মোংলা বন্দরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মোংলা বন্দরে যে সক্ষমতা আছে, সেই সক্ষমতা আমরা আরও বৃদ্ধি করতে চাই। যেন বন্দর আরও বড় হয় এবং এখানে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। যার ফলে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়।’কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেখেছি, কারা যেন বলত, এ অঞ্চলে সবকিছু তারা করেছে।

কিন্তু আমি আসার পথে দেখলাম, এলাকার মানুষের দাবি এয়ারপোর্ট, এলাকার মানুষের দাবি ফোর লেন রাস্তা, এলাকার মানুষের দাবি রেলের ব্যবস্থা করা এবং বন্দরের উন্নয়ন করা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন