অ্যান্টার্কটিকায় তখন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। বরফের ওপর দিয়ে বাতাস বয়ে গেলে মনে হয়, ধারালো কিছু এসে গায়ে বিঁধছে। চারদিকে সাদা বরফ। দূরে সমুদ্রের পানি কালো দেখায়। এমন পরিবেশে হাজার হাজার সম্রাট পেঙ্গুইন জড়ো হয়েছে একটি জায়গায়। তাদেরই এক জোড়া পেঙ্গুইন কয়েক দিন ধরে পাশাপাশি থাকছে। মেয়ে পেঙ্গুইনটি ডিম পাড়ার পর সেটি আলতো করে তুলে দিল তার সঙ্গীর পায়ের ওপর।
পুরুষ পেঙ্গুইনটি ডিমটিকে দুই পায়ের মাঝখানে রেখে পেটের নিচের চামড়ার ভাঁজ দিয়ে ঢেকে দিল। বাইরে থেকে ডিমটি আর দেখা যায় না। মেয়ে পেঙ্গুইনটি এবার সমুদ্রের দিকে রওনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে ডিম তৈরির ধকল গেছে তার শরীরের ওপর দিয়ে। খাবার খেয়ে শক্তি ফিরে পাওয়া দরকার। তাই তাকে সমুদ্রে যেতে হবে মাছ ও ছোট সামুদ্রিক প্রাণীর খোঁজে। যাওয়ার আগে সে একবার সঙ্গীর দিকে তাকাল।
তারপর ধীরে ধীরে অন্য পেঙ্গুইনদের সঙ্গে বরফের ওপর দিয়ে এগিয়ে গেল।
সূত্র: প্রথম আলো

সন্তান জন্মের তৃতীয় দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন মা, নবজাতক আইসিইউতে
গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ডেঙ্গু জ্বরে দেশে ছেলের মৃত্যু, একই দিনে সৌদি আরবে মারা গেলেন বাবা
বন্ধুত্বের উষ্ণতায় কাটল এক আড্ডামুখর বিকেল
এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন