advertisement

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি হ্যাকিংয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বাইন্যান্স জানিয়েছে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টো হ্যাকিংয়ে চুরি হওয়া ৬৩০ কোটি ডলারের সম্পদের ৯০ শতাংশ ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

রাজধানীর ছয় রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু রাজধানীর ছয় রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু ১২ শিক্ষকের একমাত্র শিক্ষার্থী, তবুও ফেল ১২ শিক্ষকের একমাত্র শিক্ষার্থী, তবুও ফেল পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন সরবরাহ থাকলেও খুলনায় চড়া সবজি ও মাছের বাজার সরবরাহ থাকলেও খুলনায় চড়া সবজি ও মাছের বাজার কলকাতার মধুমিতা কী বাংলাদেশের সিনেমাটি ছেড়ে দিচ্ছেন? কলকাতার মধুমিতা কী বাংলাদেশের সিনেমাটি ছেড়ে দিচ্ছেন?
advertisement

দুর্ঘটনায় হারিয়েছিলেন দুই হাত, পা দিয়ে লিখেই পেলেন জিপিএ-৫

দুর্ঘটনায় হারিয়েছিলেন দুই হাত, পা দিয়ে লিখেই পেলেন জিপিএ-৫
দুর্ঘটনায় দুই হাত হারান রফিকুল। পা দিয়ে লিখেই তিনি এইচএসসিতে পেয়েছেন জিপিএ—৫। আজ সকাল ৮টায় সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম। এ দুর্ঘটনায় দুই হাত হারিয়েছিলেন তিনি। এরপর মুখ দিয়ে লিখে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছেন। পরে শেখেন পা দিয়ে লেখা। এভাবেই তিনি মাধ্যমিকে পান জিপিএ-৫। এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি।স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম। এ দুর্ঘটনায় দুই হাত হারিয়েছিলেন তিনি। এরপর মুখ দিয়ে লিখে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছেন।

পরে শেখেন পা দিয়ে লেখা। এভাবেই তিনি মাধ্যমিকে পান জিপিএ-৫। এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি।গতকাল শনিবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রফিকুল চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।রফিকুল ইসলাম, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী।কলেজে যাতায়াতেই অনেক সময় চলে যেত। ফলে নিয়মিত ক্লাস করতে পারিনি।

অনলাইনে ক্লাস করে এবং ইউটিউব ঘেঁটে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছিলাম।রফিকুল ইসলাম এলাকায় রাব্বি নামে পরিচিত।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, লাশ পড়ে ছিল সড়কের ওপর

খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, লাশ পড়ে ছিল সড়কের ওপর
লাশ
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

খুলনা নগরের লবণচরায় সড়কের ওপর থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে দরগা কাশেমিয়া মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শহীদুল (৩৫) ওই এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ বলছে, তিনি দুই-তিন দিন পরপর বাড়িতে আসতেন। শনিবার বিকেলে বাড়িতে এসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বের হন।

রাত ১১টার দিকে শহীদুলের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে সড়কের ওপর তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক ব্যক্তি।সৈয়দ মোশারফ হোসেন, লবণচরা থানার ওসিদুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এলাকাটি কিছুটা নির্জন। কারা, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শহীদুলের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারফ হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ফেল করেছিলাম, ঘুরে দাঁড়িয়েছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি

ফেল করেছিলাম, ঘুরে দাঁড়িয়েছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি
ফাইল ছবি
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় এক বিষয়ে ফেল করার আশঙ্কায় মনে হয়েছিল, এই অল্প বয়সেই বুঝি জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। মা–বাবার প্রত্যাশা, পরিবারের সম্মান আর প্রতিবেশীদের চোখে ছোট হয়ে যাওয়ার ভয় এমনভাবে চেপে বসেছিল যে জীবনের ছোট ছোট আনন্দও একসময় ম্লান হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেদিন সত্যিই ফেল করেছিলাম। কিন্তু জীবন থেমে থাকেনি।

দুই দশক পর পেছনে ফিরে বুঝি, একটি পরীক্ষার ফল কখনোই মানুষের পুরো জীবনের মাপকাঠি হতে পারে না।২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই মাঝেমধ্যে পেটের ভেতরটা খামচে ধরত। আশঙ্কাটা অমূলক ছিল না।

উচ্চমাধ্যমিকে পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম, আলিফ লায়লার মতো কোনো দৈত্য-দানবের সাহায্য ছাড়া এবার পাস করা সম্ভব নয়।দুই দশক আগে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে পাবলিক পরীক্ষার ফল ছিল বিরাট এক বিষয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন