advertisement

অযত্ন ও অবহেলায় জৌলুশ হারিয়ে ঘাস–পাতায় ছেঁয়ে গেছে নকিপুর জমিদারবাড়ি

অযত্ন ও অবহেলায় জৌলুশ হারিয়ে ঘাস–পাতায় ছেঁয়ে গেছে নকিপুর জমিদারবাড়ি
গাছপালা ও আগাছায় ঢেকে গেছে নকিপুর জমিদারবাড়ি। গত সোমবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুরে
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

একসময় এখানে ছিল তিনতলা বিশাল প্রাসাদ। সারি সারি স্তম্ভ, খিলান আর কারুকাজে সাজানো ভবন। সামনে বিস্তীর্ণ মাঠ, পাশে বড় পুকুর, পাকা ঘাট, নহবতখানা আর জোড়া শিবমন্দির। জমিদারি ঐশ্বর্যের সেই স্মৃতি এখন ধ্বংসের পথে। ছাদের বড় অংশ ধসে পড়েছে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে বেরিয়ে এসেছে ইট। কোথাও আগাছার আড়ালে হারিয়ে গেছে স্থাপনার চিহ্ন। সাতক্ষীরার শ্যামনগর সদর থেকে পূর্ব দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার এগোলেই নকিপুর জমিদারবাড়ি।

গত সোমবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, পশ্চিম অংশের কিছু স্তম্ভ ও খিলান এখনো টিকে আছে। পূর্ব পাশের দীর্ঘ ভবনটির অধিকাংশ দেয়াল ধসে পড়েছে। একসময় ২১২ ফুট দীর্ঘ এই ভবনের চারপাশ এখন কলাগাছ, ঘাস ও আগাছায় ঢাকা।জমিদারবাড়ির পাশের বাসিন্দা নয়ন হোসেন (২৫) ছোটবেলা থেকেই প্রাসাদের এই দশা দেখে আসছেন। তিনি বলেন, অন্তত ১০ বছর আগেও যদি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হতো, তাহলে স্থাপনাটির অনেকটাই রক্ষা করা সম্ভব হতো।

সংরক্ষণ করা গেলে পুরো এলাকাটি দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারত।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের  ১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের  সরে যেতে পারেন ট্রাম্পের কয়েক মন্ত্রী সরে যেতে পারেন ট্রাম্পের কয়েক মন্ত্রী এই শহরে এক চিলতে গ্রামীণ বন এই শহরে এক চিলতে গ্রামীণ বন ‘ইনশাআল্লাহ’ থেকে ‘আলহামদুলিল্লাহ’: আল-সাইদের এই উত্থান কীভাবে? ‘ইনশাআল্লাহ’ থেকে ‘আলহামদুলিল্লাহ’: আল-সাইদের এই উত্থান কীভাবে? লবণাক্ততা ও অনাবৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে নোয়াখালীর আমনের খেত লবণাক্ততা ও অনাবৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে নোয়াখালীর আমনের খেত
advertisement

উত্তরায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরের বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে দানোত্তম কঠিন চীবর দান।

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানবাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল দিন ৭ নভেম্বর আজ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীতে পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। দিনটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ভিন্ন ভিন্ন নামে পালন করে। বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।

দিবসটি উপলক্ষে এবার আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে দলটি।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটে। এরপর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সেনাবাহিনীতে একের পর এক পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

একপর্যায়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের 

১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের 
তুহিন ওয়াদুদ অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নদী রক্ষাবিষয়ক সংগঠন রিভারাইন পিপলের পরিচালক
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সম্প্রতি কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চর খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন তিস্তা নদীর পাড়ে আমার আলাপ হয় আবদুল খালেক, জয়নাল আবেদীন, নওশাদ ও বেলালের সঙ্গে। তাঁরা প্রত্যেকে নদীভাঙনের শিকার। জয়নাল আবেদীনের ঘর ভেঙেছে ১৭ বার, নওশাদের পাঁচবার, বেলালের চারবার, আবদুল খালেকের দুবার।পড়ন্ত বিকেলে নদীর দিকে হাত বাড়িয়ে আবদুল খালেক দেখাচ্ছিলেন, কোথায় তাঁর বাড়ি ছিল। এখন তাঁর বাড়ি একেবারে নদীর কিনারে।

তিনি বলছিলেন, ‘হামার বারো ঘরের বাড়ি আছিল, জমি আছিল অনেক। এখন সব নদীত। ভাবছিনোং বেটাক ছোট চাকরি করবার নয়। যখন নদীত বাড়ি ভাঙি গেল, তখন বেটাক আনসারোত পাঠাইছি।’ ছেলেকে ছোট চাকরিতে দিতে চাননি তিনি। কিন্তু বাড়ি ভাঙার পর তাঁকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে পাঠাতে হয়েছে।তাঁরা প্রত্যেকে নদীভাঙনের শিকার।

জয়নাল আবেদীনের ঘর ভেঙেছে ১৭ বার, নওশাদের পাঁচবার, বেলালের চারবার, আবদুল খালেকের দুবার।আবদুল খালেকের পরিবারের এখন ১০-১২ শতক জমি অবশিষ্ট আছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন