advertisement

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসায় পরিবর্তন, পড়া শেষে তিন বছর থাকার সুযোগ

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসায় পরিবর্তন, পড়া শেষে তিন বছর থাকার সুযোগ
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তিতে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটি এবার ৪ লাখ বিদেশি শিক্ষার্থী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর আগে ২০২৭ সালের মধ্যে ৩ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়। বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা আরও বাড়াতে দেশটির সরকার শিক্ষার্থী ভিসাব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনছে।

প্রস্তাবিত পরিবর্তনে কোরীয় ভাষায় দক্ষতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সাফল্য, দেশটির সমাজে খাপ খাওয়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে, নিন জেনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছেদক্ষিণ কোরিয়া ৩ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল।

তবে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়েই দেশটি এই লক্ষ্য পূরণ করে, নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ গুগলের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ গুগলের বিরুদ্ধে বঙ্গভবন ঘুরে দেখার সুযোগ শিক্ষার্থীদের, দেখে নিন নিয়ম বঙ্গভবন ঘুরে দেখার সুযোগ শিক্ষার্থীদের, দেখে নিন নিয়ম এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর ৯ বছর পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষকেরা, প্রধানন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ৯ বছর পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষকেরা, প্রধানন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামন... নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন
advertisement

উত্তরায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরের বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে দানোত্তম কঠিন চীবর দান।

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানবাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল দিন ৭ নভেম্বর আজ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীতে পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। দিনটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ভিন্ন ভিন্ন নামে পালন করে। বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।

দিবসটি উপলক্ষে এবার আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে দলটি।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটে। এরপর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সেনাবাহিনীতে একের পর এক পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

একপর্যায়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের 

১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের 
তুহিন ওয়াদুদ অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নদী রক্ষাবিষয়ক সংগঠন রিভারাইন পিপলের পরিচালক
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সম্প্রতি কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চর খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন তিস্তা নদীর পাড়ে আমার আলাপ হয় আবদুল খালেক, জয়নাল আবেদীন, নওশাদ ও বেলালের সঙ্গে। তাঁরা প্রত্যেকে নদীভাঙনের শিকার। জয়নাল আবেদীনের ঘর ভেঙেছে ১৭ বার, নওশাদের পাঁচবার, বেলালের চারবার, আবদুল খালেকের দুবার।পড়ন্ত বিকেলে নদীর দিকে হাত বাড়িয়ে আবদুল খালেক দেখাচ্ছিলেন, কোথায় তাঁর বাড়ি ছিল। এখন তাঁর বাড়ি একেবারে নদীর কিনারে।

তিনি বলছিলেন, ‘হামার বারো ঘরের বাড়ি আছিল, জমি আছিল অনেক। এখন সব নদীত। ভাবছিনোং বেটাক ছোট চাকরি করবার নয়। যখন নদীত বাড়ি ভাঙি গেল, তখন বেটাক আনসারোত পাঠাইছি।’ ছেলেকে ছোট চাকরিতে দিতে চাননি তিনি। কিন্তু বাড়ি ভাঙার পর তাঁকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে পাঠাতে হয়েছে।তাঁরা প্রত্যেকে নদীভাঙনের শিকার।

জয়নাল আবেদীনের ঘর ভেঙেছে ১৭ বার, নওশাদের পাঁচবার, বেলালের চারবার, আবদুল খালেকের দুবার।আবদুল খালেকের পরিবারের এখন ১০-১২ শতক জমি অবশিষ্ট আছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন