advertisement

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ লুকে আবেদন কাড়লেন ঋতাভরী

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ লুকে আবেদন কাড়লেন ঋতাভরী
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

এবারের হ্যালোউইনে নানা রূপে চমকে দিয়েছেন তারকারা। তবে টালিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী বেছে নিয়েছেন ভিন্ন এক পথ। প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার বিখ্যাত ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ধরা দিয়েছেন তিনি। রইল বিস্তারিত।হ্যালোউইনের সাজ মানেই ভূত, ডাইনি কিংবা নানা কাল্পনিক চরিত্রের উপস্থাপন। তবে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে এবার ইতিহাসের এক আলোচিত ফ্যাশন মুহূর্তকে বেছে নিয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী।

প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার আইকনিক ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ পরে হ্যালোউইনের সাজে হাজির হয়েছেন তিনি। পোশাক, সাজসজ্জা ও ব্যাকগ্রাউন্ড —সব মিলিয়ে ঋতাভরীর এই আয়োজন যেন ফিরিয়ে এনেছে নব্বইয়ের দশকের সেই আলোচিত রাত।১৯৯৪ সালের ২৯ জুন। লন্ডনের সার্পেন্টাইন গ্যালারির একটি অনুষ্ঠানে কালো অফ-শোল্ডার গাউনে হাজির হয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা।

একই রাতে প্রচারিত এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডায়ানার স্বামী তৎকালীন প্রিন্স চার্লস তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার: মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তায় তরুণদের প্রতি তথ্য উপদেষ্টার আহ্বান ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার: মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তায় তরুণদের প্রতি তথ্য উ... গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে যেভাবে নাম লেখানো যায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে যেভাবে নাম লেখানো যায় ব্রিটিশ গোয়েন্দারা কেন পাকিস্তানি মিডিয়াকে রক্ষায় তৎপর ব্রিটিশ গোয়েন্দারা কেন পাকিস্তানি মিডিয়াকে রক্ষায় তৎপর পাঠকের ছবি (২ নভেম্বর ২০২৬) পাঠকের ছবি (২ নভেম্বর ২০২৬) মিরপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরে ৫ মামলা, আজও বিচ্ছিন্নভাবে সড়কে নামার চেষ্টা মিরপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরে ৫ মামলা, আজও বিচ্ছিন্নভাবে সড়কে নামার চেষ্টা
advertisement

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার: মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তায় তরুণদের প্রতি তথ্য উপদেষ্টার আহ্বান

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার: মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তায় তরুণদের প্রতি তথ্য উপদেষ্টার আহ্বান
বিশ্ব মিডিয়া ও তথ্য সচেতনতা  সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে ‘একবিংশ শতাব্দীর তরুণদের জন্য মিডিয়া ও ইনফরমেশন লিটারেসি স্কিলস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনেসকো ঢাকা অফিস, মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের নির্বাচনী প্রকল্প ‘ব্যালট’-এর যৌথ সহযোগিতায় ‘বিশ্ব মিডিয়া ও তথ্য সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬’-এর দেশব্যাপী উদ্যাপনের অংশ হিসেবে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশও ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে যেভাবে নাম লেখানো যায়

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে যেভাবে নাম লেখানো যায়
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

নভেম্বর মাসের এক শীতের সকাল। আকাশে উড়ছে একঝাঁক পাখি। আয়ারল্যান্ডের ওয়েক্সফোর্ড কাউন্টিতে স্ল্যানি নদীর ধারে বন্ধুদের নিয়ে শিকারে এসেছেন স্যার হিউ বিভার।একটি পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে গুলি ছুড়লেন তিনি। কিন্তু নিশানা ফসকে গেল। পাখিটি ছিল গোল্ডেন প্লোভার। তবে ওই মুহূর্তে তাঁর মাথায় এল অন্য একটি প্রশ্ন। ইউরোপে শিকার করা যায়, এমন পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত ওড়ে কোনটি? গোল্ডেন প্লোভার, নাকি রেড গ্রাউস?শুরু হলো তুমুল তর্ক।

কেউ বলেন প্লোভার, কেউ বলেন গ্রাউস। কিন্তু এই তর্কের মীমাংসা করবে কে? শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই তর্ক শেষ হলো। বিভার বাড়ি ফিরে এলেন, কিন্তু প্রশ্নটি মাথা থেকে গেল না।স্যার হিউ বিভার ছিলেন বিখ্যাত গিনেস ব্রুয়ারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁর মাথায় এল দারুণ এক বুদ্ধি। এমন একটি বই তৈরি করা যায় না, যেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড়, দ্রুত, দীর্ঘ কিংবা অদ্ভুত সব বিষয়ের তথ্য থাকবে?

পাবে এমন একটি বই থাকলে তর্কের মীমাংসা করা সহজ হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ব্রিটিশ গোয়েন্দারা কেন পাকিস্তানি মিডিয়াকে রক্ষায় তৎপর

ব্রিটিশ গোয়েন্দারা কেন পাকিস্তানি মিডিয়াকে রক্ষায় তৎপর
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি জাল এমআই৬ নথিসহ ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। জাল নথিটিতে মুনিজা জাহাঙ্গীর, ফারহাতুল্লাহ বাবর ও হামিদ মীরকে এমআই৬-এর এজেন্ট বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের প্রতি সরকারের সাম্প্রতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লিখেছেন হামিদ মীর।মাজহার আব্বাসের নতুন বইয়ের শিরোনামেই পাকিস্তানের গণমাধ্যমের পুরো চিত্রটি ফুটে উঠেছে।

পাকিস্তানের অন্যতম সুপরিচিত এই সাংবাদিকের বইটির নাম মিডিয়া আন্ডার দ্য শ্যাডো অব ডেথ (‘মৃত্যুর ছায়ায় গণমাধ্যম’)। বইটির প্রচ্ছদে দেখা যায়, কলম ও ক্যামেরা হাতে সাংবাদিকেরা সেন্সরশিপের কারাগারে বন্দী।কয়েক দিন আগে ইসলামাবাদে সুপরিচিত উপস্থাপক আবসা কোমলের সঞ্চালনায় বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কিছুদিন আগে ইসলামাবাদের ন্যাশনাল প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রে বেতন না দেওয়ার প্রতিবাদে কথা বলেছিলেন আবসা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন