advertisement

মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!

মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

শিক্ষার উদ্দেশ্য কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার উদ্দেশ্য কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে ‘ইরানকে হয়তো ধ্বংস করে দেওয়া হবে, শিগগিরই জানতে পারবেন’—হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ‘ইরানকে হয়তো ধ্বংস করে দেওয়া হবে, শিগগিরই জানতে পারবেন’—হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট! মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট! নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেবে না জোটসঙ্গী দল ইউটিজে, আরও বেকায়দায় তিনি নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেবে না জোটসঙ্গী দল ইউটিজে, আরও বেকায়দায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার রাজনীতিকের জয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার রাজনীতিকের জয়
advertisement

শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ গুগলের বিরুদ্ধে

শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ গুগলের বিরুদ্ধে
ছবিটি এআই দিয়ে আঁকা
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের অনুমতি না দিলে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সুযোগও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গুগল। এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এআই ব্যবহারে পরোক্ষভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) গুগল জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসকেরা অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টে গুগলের এআইয়ের সুবিধা ও সার্চ ইঞ্জিন—দুটিই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য এআইয়ের সুবিধা চালু না করলে তারা গুগল সার্চও ব্যবহার করতে পারবে না।এআই চালু না করলে সার্চও বন্ধগুগলের শিক্ষা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মহাব্যবস্থাপক ক্রিস ফিলিপস এক ব্লগ পোস্টে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন শ্রেণিকক্ষে এআই ব্যবহারের বিষয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সে জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের জন্য গুগলের জেমিনাই চ্যাটবট, জেমিনাই নোটবুক ও গুগল ক্লাসরুমে জেমিনাই ব্যবহারের সুযোগ প্রশাসকেরা চালু করতে পারবেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শিক্ষার উদ্দেশ্য কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে

শিক্ষার উদ্দেশ্য কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

শিক্ষার্থীদের পড়তে বলা হচ্ছে, শিক্ষকেরা পড়াচ্ছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ডিগ্রি দিচ্ছে, সরকার বিসিএস ক্যাডার নিয়োগ করছে। তারপরও শিক্ষিত তরুণদের বড় একটি অংশ বেকার।

তাহলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার কোথায় সমস্যা?আমরা সাধারণত শিক্ষার সংকট নিয়ে আলোচনা করতে গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অনীহা, শিক্ষকদের অদক্ষতা কিংবা চাকরির অভাবের কথা বলি; কিন্তু সমস্যাটিকে যদি একটু গভীরভাবে দেখি, তাহলে আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে আসে—এত প্রতিষ্ঠান, এত শিক্ষক, এত শিক্ষার্থী এবং এত সরকারি বিনিয়োগের পরও শিক্ষাব্যবস্থা কেন প্রত্যাশিত জ্ঞান, দক্ষতা ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করতে পারছে না?এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো শিক্ষাব্যবস্থার দায়িত্ব ও কার্যকারিতা পর্যালোচনা করতে হবে।পরীক্ষার ফলাফল: একটি সতর্কসংকেতবাংলাদেশের ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

৩১ অক্টোবর প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে

শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

দুই বছর আগে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন সাব্বির রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি শেষ হলেও তাঁর পড়া শেষ হয়নি। এখনো বই নিয়ে বসতে হয়। তবে সেই বইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম নেই। আছে চাকরির প্রস্তুতি। ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি মেসে বন্ধুদের সঙ্গে থাকেন তিনি। নিয়মিত আবেদন করছেন সরকারি চাকরির জন্য, পরীক্ষাও দিচ্ছেন; কিন্তু চাকরি হয়নি।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে টাঙ্গাইলের একটি সরকারি কলেজ থেকে সমাজকর্ম বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেছেন সাব্বির।

লেখাপড়া শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও তা কর্মজীবনে ঢোকার জন্য কতটা সহায়ক, সে প্রশ্ন তাঁর নিজেরই। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম দিনের কথা মনে করে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘যতটা উৎফুল্ল ছিলাম সেদিন, আজ ঠিক ততটাই হতাশায় আছি।’ সাব্বির একা নন। এই হতাশা অসংখ্য তরুণের। দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়লেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে না।

আবার দেশের কর্মবাজারও প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী পাচ্ছে না।বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম দিনের কথা মনে করে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘যতটা উৎফুল্ল ছিলাম সেদিন, আজ ঠিক ততটাই হতাশায় আছি।’বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের মোট গ্র্যাজুয়েটের ৬০-৭০ শতাংশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন