advertisement

সাফ ফুটবল নিয়ে আপনার সব প্রশ্নের উত্তর

সাফ ফুটবল নিয়ে আপনার সব প্রশ্নের উত্তর
২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ দল
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ঢাকায় আজ শুরু হচ্ছে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টের আদ্যোপান্ত জেনে নিন এখানে।সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ কী? সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) আয়োজিত দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট। সাফভুক্ত সাতটি দেশের জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয় এই টুর্নামেন্টে। গতবার অবশ্য দুটি অতিথি দল অংশ নিয়েছিল। কত সালে শুরু হয়েছিল এই টুর্নামেন্ট?

১৯৯৩ সালে সার্ক গোল্ডকাপ নামে যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক ফুটবল প্রতিযোগিতা। ১৯৯৫ সালে নাম বদলে হয় সাউথ এশিয়ান গোল্ডকাপ। টুর্নামেন্টটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নামে পরিচিত ১৯৯৭ সাল থেকে।এখন পর্যন্ত কতটি টুর্নামেন্ট হয়েছে?এবার বাংলাদেশে হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। কত বছর পর হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ? নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই।

টানা দুই বছর দুটি টুর্নামেন্ট যেমন হয়েছে, তেমনি সর্বোচ্চ চার বছরের ব্যবধানও ছিল টুর্নামেন্টে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে মারামারির চূড়ান্ত, ৫৩ লাল কার্ডের বিশ্ব রেকর্ড ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে মারামারির চূড়ান্ত, ৫৩ লাল কার্ডের বিশ্ব রেকর্ড ৬১ ম্যাচে ৬২ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগে অনন্য হলান্ড ৬১ ম্যাচে ৬২ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগে অনন্য হলান্ড সিলেট টেস্ট: টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে আছেন কারা সিলেট টেস্ট: টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে আছেন কারা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতের রাজত্বে ভাগ বসাবে কে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতের রাজত্বে ভাগ বসাবে কে আজ টিভিতে যা দেখবেন (৫ নভেম্বর ২০২৬) আজ টিভিতে যা দেখবেন (৫ নভেম্বর ২০২৬)
advertisement

অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে, কী করতে হবে

অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে, কী করতে হবে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিক সংকটের মুখে, সমস্যা সমাধানে কী করণীয়? বিস্তারিত ভিডিওতে...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মৃতপ্রায় গাছের কাছ থেকে দূরে সরে যায় অন্য গাছ

মৃতপ্রায় গাছের কাছ থেকে দূরে সরে যায় অন্য গাছ
গাছপালা হয়তো আমাদের মতো হেঁটে বা উড়ে বেড়ায় না, কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বারান্দায় বা বাগানের টবে থাকা গাছগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, গাছগুলো বড্ড শান্ত, এক জায়গায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। ওদের তো আর আমাদের মতো হাত-পা নেই যে বিপদ দেখলে দৌড় লাগাবে! কিন্তু আসলেই কি তাই? উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা কিন্তু একদম অন্য কথা বলছেন। গাছপালা হয়তো আমাদের মতো হেঁটে বা উড়ে বেড়ায় না, কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করে।

আলোর দিকে হেলে পড়া, মাধ্যাকর্ষণের টানে শেকড় মাটির গভীরে পাঠানো কিংবা জলের খোঁজে শেকড় বাঁকিয়ে ফেলার মতো কিছু অদ্ভুত কৌশল অবলম্বন করে গাছ। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ট্রপিজম।সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গাছের নড়াচড়ার এমন এক গা ছমছমে কৌশল আবিষ্কার করেছেন, যা শুনে আপনি রীতিমতো চমকে যাবেন। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গাছ তার নিজের প্রজাতির মৃত বা পচে যাওয়া অংশের গন্ধ পেলেই সেখান থেকে শেকড় বাঁকিয়ে উল্টো দিকে পালাতে শুরু করে!

সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের নাম দেওয়া হয়েছে স্যাপ্রোট্রপিজম।গাছকে গান শোনালে কি সত্যিই গাছ দ্রুত বাড়েবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গাছ তার নিজের প্রজাতির মৃত বা পচে যাওয়া অংশের গন্ধ পেলেই সেখান থেকে শেকড় বাঁকিয়ে উল্টো দিকে পালাতে শুরু করে!বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেক বড় বড় আবিষ্কারই হয়েছে নিছক দুর্ঘটনার হাত ধরে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

দাম বাড়ার চাপ যখন নিত্যসঙ্গী

দাম বাড়ার চাপ যখন নিত্যসঙ্গী
শওকত হোসেন, প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

পুরোনো বেশ কিছু পত্রিকা দেখে ধারণা হলো স্বাধীনতার পর দেশে বাজারদর নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন করেছিল সরকারি মালিকানাধীন পত্রিকা দৈনিক বাংলা। ১৯৭১ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘ঢাকায় মাছ, ডিম ও শাকসবজির দাম কমেছে’। শুরুটা ছিল এ রকম: ‘রাজধানী ঢাকা শহরসহ বাংলাদেশের সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃ-প্রতিষ্ঠার পর হতে শহরে বিভিন্ন দ্রব্যাদির আমদানী দিন দিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফলে বিভিন্ন জিনিসের দামও দ্রুত কমতে শুরু করেছে। এসব দ্রব্যাদির মধ্যে রয়েছে শাক-সবজি, মাছ, ডিম, মাংস ইত্যাদি।’বাজারদর নিয়ে দৈনিক বাংলার ঠিক পরের প্রতিবেদনটি ছাপা হয় ২২ দিন পরে—১৯৭২ সালের ১৯ জানুয়ারি। এবার পুরো উল্টো খবর। সেই রিপোর্টের শিরোনাম ছিল, ‘দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, অতি মুনাফার লালসাই প্রধান কারণ’। রিপোর্টটির শুরুটা ছিল এ রকম: ‘আজকাল জনজীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

কোন কোন জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই আকাশচুম্বী হয়ে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবার উপক্রম হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন