advertisement

যাঁর কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন ফেরেশতা

যাঁর কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন ফেরেশতা
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

কোরআন পাঠ শুনতে ফেরেশতারা সমবেত হন, নবীজির যুগে ঘটে যাওয়া এক সাহাবির জীবনের ঘটনা এর উজ্জ্বল প্রমাণ।নিঝুম রাতে তিনি কোরআন পড়ছিলেন আর সেই তা শুনতে আকাশ থেকে নেমে এসেছিলেন এক দল ফেরেশতা। তাঁর নাম উসাইদ ইবনে হুজাইর (রা.)।সুরা বাকারা পাঠউসাইদ ছিলেন আনসার সাহাবিদের একজন। একরাতে তিনি ঘোড়ার আস্তাবলের কাছে বসে সুরা বাকারা পড়ছিলেন। পাশেই শুয়ে ছিল তাঁর ছোট ছেলে ইয়াহইয়া।চারদিকে রাতের নীরবতা।

সেই নিস্তব্ধ পরিবেশে ধ্বনিত হচ্ছিল আল্লাহর বাণী।হঠাৎ তাঁর ঘোড়াটি লাফাতে শুরু করল। তিনি পড়া থামিয়ে দিলেন, ঘোড়াও শান্ত হলো। কিছুক্ষণ পর আবার পড়তে শুরু করলেন। ঘোড়াটিও আবার অস্থির হয়ে উঠল।তিনি থেমে গেলেন। তৃতীয়বারও একই ঘটনা ঘটল। এবার তাঁর আশঙ্কা হলো, ঘোড়াটি ছেলেকে পায়ের নিচে পিষে ফেলতে পারে। তাই তিনি পড়া বন্ধ করে ছেলের কাছে গেলেন। তখনই চোখে পড়ল বিস্ময়কর এক দৃশ্য।তারা ফেরেশতা।

তোমার কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি  জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি  বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে লেখা ‘জয় বাংলা’, ৫ শিক্ষার্থীকে ডেকেছে কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে লেখা ‘জয় বাংলা’, ৫ শিক্ষার্থীকে ডেকেছে কর্তৃপক্ষ
advertisement

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি
মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার।
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৫ সালের ২ আগস্ট প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭১তম পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল এবং মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার পরামর্শ প্রদান করেন। ‘সন্তানের মনের সংকটে অভিভাবকের করণীয়’—এই বিষয়ের ওপর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ।

উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।সভায় ডা. মেখলা সরকার প্যারেন্টিং বা সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দেন। তিনি প্যারেন্টিংয়ের তিনটি ধরন ও সেগুলির প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

যেমন- কঠোর অনুশাসন: সন্তানকে সারাক্ষণ ভয়ে ও শাসনে রাখলে তার নিজস্ব মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সে তার সৃজনশীলতা হারাতে পারে।অতিরিক্ত প্রশ্রয়: সন্তানকে সবকিছুতে অতিরিক্ত ছাড় দিলে তারা জীবনের আসল চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে শেখে না এবং তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়।সম্পূর্ণ স্বাধীনতা বা উদাসীনতা: সন্তানের খোঁজখবর না রেখে তাকে সম্পূর্ণ ছেড়ে দিলে সে ভবিষ্যৎ সংকট বা প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতা অর্জন করতে পারে না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল

যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ইসলামি ইতিহাসে লক্ষাধিক সাহাবির মধ্যে এমন কয়েকজন রয়েছেন, যাঁদের মর্যাদা আল্লাহ অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁদেরই একজন হলেন মদিনার আনসার সাহাবিদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা হজরত সাদ ইবনে মুয়াজ (রা.)।তাঁর মৃত্যুর পর এমন এক অভাবনীয় ঘটনা ঘটেছিল, যা অন্য কোনো সাহাবির ক্ষেত্রে শোনা যায় না। তাঁর মৃত্যুতে স্বয়ং মহান আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল।

মাত্র ছয় থেকে সাত বছরের ইসলামি জীবনে তিনি এমন কী অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন, যার কারণে আসমানি জগতে এই তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল?আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার হাদিস মহানবী (সা.) সুস্পষ্ট ভাষায় সাদ ইবনে মুয়াজের এই অতুলনীয় মর্যাদার কথা ঘোষণা করেছেন।

সাহাবি জাবের (রা.) বলেন, নবীজি বলেছেন, ‘সাদ ইবনে মুয়াজের মৃত্যুতে দয়াময় আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৮০৩)ইমাম নববি (রহ.) এই হাদিসের চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়ে লিখেছেন, আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার মানে হলো, সাদের আত্মাকে স্বাগত জানানোর জন্য আরশ বহনকারী ফেরেশতারা আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছিলেন এবং তাঁর আগমনে আসমানি জগতে এক বিশাল আনন্দোৎসবের সৃষ্টি হয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান
ছবি: সংগৃহীত
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিল দেখতে দেখতে বাসায় কখনো বকা খেয়েছেন? ‘সারা দিন ফোন নিয়ে বসে থাকিস, এতে কী হবে?’ এমন কথা অনেকেই শুনেছেন। এবার ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান বলছে, এই অভ্যাস দিয়েই চাকরি পাওয়া সম্ভব।রাজস্থানের উদয়পুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইনফ্লিশ দীপাবলির সময় এক অদ্ভুত পদে লোক নিচ্ছে।

কাজটি হলো সারা দিন ইনস্টাগ্রামে রিল দেখা এবং কোন কনটেন্ট ট্রেন্ডিংয়ে আছে বা ভাইরাল হচ্ছে, তার খবর জানানো।‘আমরা একজন ডুমস্ক্রোলার খুঁজছি’প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও দিয়েছেন।

তাতে এক ব্যক্তি বলেছেন, যাঁরা সত্যিই ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে ভালোবাসেন, তাঁদের সেই শখের জন্যই বেতন দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।তাঁর ভাষ্য, ‘আমরা এমন একজন ডুমস্ক্রোলার খুঁজছি, যিনি সারা দিন বসে রিল স্ক্রল করবেন এবং ইনস্টাগ্রামে কী ভাইরাল হচ্ছে, তা সবাইকে জানাবেন।’‘ডুমস্ক্রোলিং’ শব্দটি সাধারণত অনবরত ফোনের পর্দায় আঙুল বুলিয়ে যাওয়ার অভ্যাসকে বোঝায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন