স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেল। ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর ঘটনায় সম্ভাব্য অনিচ্ছাকৃত হত্যার...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেল। ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর ঘটনায় সম্ভাব্য অনিচ্ছাকৃত হত্যার...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
‘কোটা ছেড়ে কলম ধর, যোগ্যতা প্রমাণ কর’ স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে আছেন এক তরুণ। ছবিটা চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের। ছবির নিচে লেখাটা শুরু হয়েছে, ‘এই মুহূর্তে আমি রাষ্ট্রের শীর্ষ অপরাধীদের মধ্যে একজন।’পোস্টটি অর্ঘ্য প্রতিম ঘোষ নামের একজন তরুণ চিকিৎসকের। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্ন শেষ করেছেন এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে। ইন্টার্ন শেষ করার আগেই ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছিলেন।
প্রথম কর্মজীবনে নিজের উপজেলা বা আশপাশে কোথাও পোস্টিং হবে, মনে মনে সেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু ভেরিফিকেশন রিপোর্ট নেতিবাচক আসায় চূড়ান্ত গেজেটে তাঁর নাম আসেনি।
উপজেলা পর্যায়ের কোনো হাসপাতালে দেশের গরিব, প্রান্তিক লোকদের যখন তাঁর চিকিৎসা দেওয়ার কথা, সেই সময়টা এখন তাঁকে আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, কাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে।এসআইদের অব্যাহতি, ভেরিফিকেশন ও বাজে সংস্কৃতিতরুণ এই চিকিৎসকের ফেসবুকে ঢুকলে যে কেউ ইন্টার্নরত অবস্থায় রোগী ও সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর ছবি ও ভিডিও দেখতে পাবেন।
সূত্র: প্রথম আলো
খাঁচার ভেতরে কুমির, সিংহসহ নানা ধরনের পশুর প্রতিকৃতি। কে কোন পশুর নাম আগে বলতে পারে, তা নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা। শিশুদের আরেকটি দলকে শেখানো হচ্ছে কোন ফুলের কী নাম। যাঁকে কেন্দ্র করে শিশুদের জটলা, তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শামসুর রহমান। পাঁচ বছর আগে অবসর নিলেও শিশুদের পড়ানো আর তাদের সঙ্গে থাকার অভ্যাস ছাড়তে পারেননি তিনি। শামসুর রহমানের বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলার তিলনা গ্রামের ধন্টিপাড়ায়।
স্থানীয় চাঁচাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি। ২০২১ সালে অবসরে যাওয়ার পর নিজের পেনশনের টাকা দিয়ে বাড়ির আঙিনায় শিশুপার্কের আদলে গড়ে তুলেছেন ‘প্রকৃতির পাঠশালা’। তবে স্থানীয় মানুষের কাছে এটি শিশুপার্ক বা বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া নিজের ৯০ শতাংশ জমিতে এই শিশুপার্ক (বিনোদনকেন্দ্র) করতে গিয়ে দেখলেন পেনশনের টাকাতেও কুলাচ্ছে না। ৯০ শতাংশ জমির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা।
পরে ধান বিক্রি এবং বাগানের আম বিক্রির টাকাও খরচ করতে হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন