আমি মানুষটা খুব নরম প্রকৃতির। কারও ওপর রাগ পুষে রাখি না। তবে জীবনে কিছু মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, যাদের প্রতি চাইলেও রাগ ভুলতে পারবেন না। আমার জীবনেও এমন কিছু মানুষ আছে।ছোটবেলার ঘটনা। তখন আমি ক্লাস থ্রিতে পড়ি। একদিন টিফিন পিরিয়ডে ব্যাগ থেকে টিফিন বের করতে গিয়ে দেখি, বক্সটাই নেই। অথচ সেদিন শখ করে টিফিনে স্যান্ডউইচ নিয়ে গিয়েছিলাম।
নইলে প্রতিদিন তো সেই ডিমভাজি আর রুটিই জুটত কপালে!সেদিন সবাই যখন টিফিন খেতে ব্যস্ত, আমি তখন পুরো ক্লাসে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছি। কিন্তু টিফিন বক্সের কোনো হদিস নেই। পরে জানতে পারলাম, আমার বন্ধু মাইশা প্রথম পিরিয়ডেই আমার ব্যাগ থেকে টিফিন বক্স মেরে দিয়ে উদরপূর্তি করেছে। বন্ধুত্বের এমন নমুনা দেখার পর আর শত্রুর দরকার কী!আরেকটা ছেলে ছিল, নাম সাকিব। সে যা করেছিল, সেটা এখনো ভাবলে কান্না পায়।তখন আমার ঘন, লম্বা চুল।
চুলে নানা রকম রং-ঢং করে টিউশন পড়তে গিয়েছি।
সূত্র: প্রথম আলো

সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানই সবচেয়ে বেশি
রসালো Billboard
বাংলা সিনেমা কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে? কী বলছেন নির্মাতারা
‘অভিজ্ঞদের অভিনয়ের জায়গাটা থাকা উচিত’
কোন চরিত্রের জন্য কপাল বড় করেছিলেন বাসার?

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন