অবাক কাণ্ড! ঘুম ভাঙার পর থেকে এ পর্যন্ত একবারও কারেন্ট রেস্ট নিতে যায়নি। হচ্ছেটা কী? তারে এত কারেন্ট! নাকি নিজের মাথার তার ছিঁড়ে গেছে? পাগল হয়ে যাচ্ছেন না তো? আয়হায়, এই টানাটানির সংসারে পাগল হয়ে গেলে তাকে পালবে কে?সাতসকালে কা–কা! এটা কি ঢাকা?মকবুল সাহেব চোখ বন্ধ করে বোঝার চেষ্টা করলেন। ঢাকা শহরে এখন তো আর কাকডাকা ভোর নেই। এখন সকাল হয় মুঠোফোনের প্যাঁ–পোঁ শব্দে। তবে কি ভুল শুনলেন?
আধবোজা চোখে জানালার পর্দা সরিয়ে দেখলেন, ৫/৬টা কাক কারেন্টের তারে বসে মিটিং করছে। মাঝেমধ্যে ঘাড় ঘুরিয়ে কা–কা করে গুডমর্নিং অ্যালার্মও দিচ্ছে।মনকাড়া এ দৃশ্য উপভোগের পর মুখ ধুতে বাথরুমে ঢুকলেন মকবুল। মুখ ধোয়ার পর মনে হলো, আরে, বেসিনের কলে পানি এল কী করে? এখন তো বালতির জমানো পানি দিয়েই সব কাজ সারতে হয়। তবে?কাকডাকা সকালে কাকস্নানের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে ভাবাভাবিতে সময় নষ্ট করলেন না মকবুল।
ছাড়লেন শাওয়ার, কাটিয়ে দিলেন হাফ অ্যান আওয়ার।
সূত্র: প্রথম আলো

রসচিঠি
একজন এআই লেখক
নিশো, চঞ্চল, তমাকে নিয়ে ভিকির ‘খলনায়ক’
মনে হয় সেদিন শুটিং করলাম, এখন তারা দুনিয়ায় নেই...
‘সহজ মানুষ’-এর আনুশেহ কেন বড় মঞ্চে নেই?

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন