কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড়ের টাউন হল মাঠ, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কিংবা রেলস্টেশন এলাকা—যেখানে এক মাস আগেও গভীর রাতে বসত মাদকের আসর, চলত মোটরসাইকেলের বিকট মহড়া আর ছিনতাইয়ের ভয়, সেখানে আজ নেমে এসেছে কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি। পুলিশ জেলাজুড়ে টানা এক মাস অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংগুলোর আস্তানা ও তৎপরতা বন্ধ করে দিতে সক্ষম হওয়ায় রাতে নির্ভয়ে চলাচল করতে পারছেন সাধারণ মানুষ ও সাধারণ শ্রমজীবীরা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে এ সাময়িক স্বস্তিকে কীভাবে স্থায়ী নিরাপত্তায় রূপ দেওয়া যায়, এখন সেটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।কিশোর গ্যাংয়ের দাপট ও অপরাধের বাড়বাড়ন্তের কথা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় ছিল; কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্কুলপড়ুয়া সন্তানের নৃশংস হত্যাকাণ্ড আবারও বুঝিয়ে দিয়েছে যে এই অপসংস্কৃতি কতটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
ওই ট্র্যাজেডির পর জনদাবির মুখে জেলাজুড়ে একযোগে চিরুনি অভিযানে নামে পুলিশ।
সূত্র: প্রথম আলো

রাজধানীতে বৈচিত্র্যময় আসবাব মেলা
অসুখ হলে চিকিৎসা না নেওয়া কি পাপ
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, এমপির আত্মীয়স্বজন পেয়েছেন ডিলারশিপ
টম ক্রুজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নতুন প্রেমে আনা, কার সঙ্গে প্রেম করছেন অভিনেত্রী
৫ শতাধিক সাইট ঝুঁকিতে, আছে
সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন