ভোরে গ্রামের মক্তবে দল বেঁধে পড়তে যাওয়া, সহজ-সরল হুজুরের কাছে আলিফ-বা-তা শেখা কিংবা রমজানে তারাবিতে কোনো কিশোর হাফেজের সুললিত কোরআন তিলাওয়াত শোনা—এগুলো এ দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের অনেকেরই এমন বন্ধু বা স্বজন আছেন, যিনি কওমি মাদ্রাসার আঙিনা পেরিয়ে আজ সমাজের মূলধারায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।
এই স্মৃতিগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই শিক্ষাব্যবস্থা আর আমাদের সমাজকাঠামো আলাদা কিছু নয়।এই চিরায়ত দৃশ্যটা মাথায় রেখেই সাম্প্রতিক খবরগুলোর দিকে তাকাই। সাভারের একটি মাদ্রাসায় সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে; আসামির তালিকায় আছেন দুজন শিক্ষকসহ মাদ্রাসার ১০ জন ছাত্র ও শিক্ষক।
প্রায় একই সময়ে সিলেট নগরীর একটি মাদ্রাসায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আরবি বিভাগের এক শিক্ষক কারাগারে গেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো

মেগার চেয়ে ১৭৪৭ গুণ দ্রুত ডিএনএ সিকুয়েন্স সফটওয়্যার উদ্ভাবন করলেন বাকৃবির গবেষকেরা
দেড় শ বছরে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমেছে, কী এর কারণ?
অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আজও রাস্তা অবরোধ
বাড়িতে সারের মজুত, রাত সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
উত্তরায় লাইভ ভিডিও নিয়ে যা হচ্ছে, কেউ কেউ বাংলাদেশকে বলছেন নয়াদিল্লি

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন