advertisement

রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি: ঐতিহ্য আর সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে ‘মেকার্স ইন মোশন’

রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি: ঐতিহ্য আর সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে ‘মেকার্স ইন মোশন’
রেনেসন্স হোটেলের বৈশ্বিক আয়োজন ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’।
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

দেশীয় শিল্প, কারুশিল্প, পোশাক, গয়না, সংগীত আর খাবার—সব মিলিয়ে ঢাকার এক অভিজাত হোটেল হয়ে উঠেছিল বাংলার ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা। আয়োজনের নাম ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’।ঢাকার অভিজাত হোটেলের পরিচিত পরিবেশ সেদিন যেন বদলে গিয়েছিল বাংলার ঐতিহ্য, কারুশিল্প আর সৃজনশীলতার প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। কোথাও দেশীয় নকশার পণ্য, কোথাও হাতে তৈরি গয়না ও পোশাক, আবার কোথাও সংগীত, কবিতা আর গল্পের আসর।

এর সঙ্গে ছিল দেশীয় খাবারের পরিচিত স্বাদ। স্থানীয় উদ্যোক্তা, শিল্পী, কারুশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের লবি লেভেল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির এক বর্ণিল প্রদর্শনীস্থল।রেনেসন্স হোটেলের বৈশ্বিক আয়োজন ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’।১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় রেনেসন্স হোটেলের বৈশ্বিক আয়োজন ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ক্র্যাফটস অ্যান্ড কালচার: মেকার্স ইন মোশন’।

বাংলাদেশের ঐতিহ্য, শিল্প, কারুশিল্প, সংগীত ও খাবারকে দেশি-বিদেশি অতিথিদের সামনে তুলে ধরাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

সাভারে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ, ২০০ কারখানায় ছুটি সাভারে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ, ২০০ কারখানায় ছুটি ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায় ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায় নিরাপত্তার শঙ্কায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত নিরাপত্তার শঙ্কায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত এমপি আজিজের বিষয়ে কেন্দ্রকে কিছুই জানাতে চায় না জেলা বিএনপির এক পক্ষ এমপি আজিজের বিষয়ে কেন্দ্রকে কিছুই জানাতে চায় না জেলা বিএনপির এক পক্ষ কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান ও আইসিটি মেলা অনুষ্ঠিত কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান ও আইসিটি মেলা অনুষ্ঠিত
advertisement

সাভারে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ, ২০০ কারখানায় ছুটি

সাভারে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ, ২০০ কারখানায় ছুটি
সাভারের হেমায়েতপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় আজ শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে প্রায় ২০০ কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, আজ (মঙ্গলবার) সকালে সাভার ও আশুলিয়ায় অধিকাংশ কারখানায় শান্তিপূর্ণভাবে শ্রমিকেরা কাজ করছিলেন।

কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কারখানায় অবস্থান করছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে কিছু কারখানা ছুটি ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পরে শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে বিভিন্ন সময় আরও প্রায় ২০০ কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়।মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, গত কয়েক দিনের আন্দোলনে দায়িত্ব পালন করার সময় শ্রমিকদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।এদিকে আজ সকাল থেকে আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

একসময় হাতে কাজই ছিল না

একসময় হাতে কাজই ছিল না
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/eksmy-hate-kaji-chil-na

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায়

ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায়
বৃদ্ধ শামসুল ইসলামকে বাড়ি থেকে বের করে একটি গাছতলায় রেখে গেছেন ছেলেমেয়েরা। মঙ্গলবার সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

নিজের ঘাম, শ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে ছয় সন্তানকে বড় করেছেন শামসুল হক মোল্লা। স্বপ্ন দেখেছেন জীবনের শেষ দিনগুলোতে সন্তানদের সান্নিধ্যে কাটাতে পারবেন। কিন্তু সেই বার্ধক্যেই আজ তিনি সন্তানদের কাছে বোঝা হয়ে গেছেন। ছয় সন্তানের কারও ঘরেই তাঁর আশ্রয় মেলেনি। শেষ পর্যন্ত তাঁর ঠাঁই হয়েছে বাড়ির পাশের একটি গাছতলায়।শামসুল হক মোল্লার বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামে। তাঁর দুই ছেলে ও চার মেয়ে।

বড় ছেলে আজিজুল মোল্লা পেশায় ফেরিওয়ালা। ছোট ছেলে রিয়াজুল মোল্লা বাসের চালকের সহকারী। চার মেয়ের মধ্যে তিনজনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী। আজ মঙ্গলবার সকালে দুই ছেলে ও তাঁদের স্ত্রীরা তাঁকে বাড়ির অদূরে একটি গাছের নিচে রেখে আসেন। এ ঘটনা জানাজানির পর এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।বৃদ্ধ শামসুল হকআমি এখন কোথায় যাব, কী করব, কিছুই বুঝতে পারছি না। সারা জীবন কষ্ট করে ওদের (ছেলেমেয়ে) বড় করলাম।

তাদের কাছে এখন আমি বোঝা হয়ে গেছি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন