প্রেসিডেন্ট হওয়ামাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম প্রদেশ আর জাস্টিন ট্রুডোকে গভর্নর ট্রুডো বলতে শুরু করলেন। কানাডীয়রা প্রথমে ভেবেছিলেন সাময়িক পাগলামো বা ঠাট্টা-মশকরা। ট্রুডো প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন মার্ক কার্নি। ট্রাম্প বদলালেন না। কানাডাকে ৫১তম প্রদেশ করার সম্প্রসারণবাদী মনোভাব আসলে তাঁর মগজে বদ্ধমূল হয়ে গেঁড়ে বসেছে, দ্রুতই কানাডীয়রা সত্যটি বুঝতে শুরু করলেন।
কারণ, ট্রাম্প কানাডাকে নিয়ে নিত্যদিনের তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও হেয় করা বাড়িয়ে দিলেন।কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে ছিঁড়েখুঁড়ে খাচ্ছে, সবকিছু নিয়ে যাচ্ছে, বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র পাচ্ছে সামান্যই ইত্যাদি অভিযোগ তো ছিলই! নতুনভাবে যোগ হলো যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে গেলে কানাডার কত লাভ—সেসবের বয়ান-ফিরিস্তি। হোয়াইট হাউসে মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাতেও ট্রাম্প নিরস্ত্র হলেন না।
একই বয়ান শুনে নিতান্ত ভদ্রলোক কার্নি মৃদু হেসে বলেছিলেন, হোয়াইট হাউস যেমন ‘নট ফর সেল’, কানাডাও তেমনই ‘নট ফর সেল’।নর্থ ডেকোটায় যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি, সহকর্মীদের প্রায় শতভাগই মার্কিন নাগরিক।
সূত্র: প্রথম আলো