সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি উভয়ের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে উল্লেখযোগ্য আঘাতের অস্তিত্ব নেই। এ হত্যাকাণ্ড পেশাদার খুনির অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ভিকটিমদের (সাগর–রুনি) দেহে অনেকগুলো ক্ষত ছিল, যা অধিক রক্তক্ষরণের জন্য দায়ী। তবে প্রতীয়মান হয়, ভিকটিম মৃত্যুর পূর্বে অনেকক্ষণ ক্ষতসহ জীবিত ছিলেন। ঘাড়ে ও পিঠে, চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
ক্রাইম সিন ও ভিকটিমদের ক্ষতের পরিমাণ দেখে বোঝা যায়, খুনিরা তাড়াহুড়া করেনি। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদনের ‘বিশেষ পর্যবেক্ষণ’ অংশে—এমনটাই উল্লেখ করেছে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স। বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।
তদন্তের জন্য রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ছয় মাস সময় দিয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো