২০০ বছরের পুরোনো হাটের নাম ‘রামসুন্দর মিস্ত্রির হাট’। পরে পরিচিতি পায় থানার হাট নামে।প্রবীণদের স্মৃতিতে সেই বটতলার হাটটি এখনো জমজমাট। গাছের চারপাশে ছোট ছোট ঝুপড়ি। মাটির ঘরে বিক্রেতাদের পসরা। মটকায় রাখা শুঁটকি। পাশে চাল-ডাল, সুপারি আর মাছ-মাংসের দোকান। দিনভর হাঁকডাক, বেচাকেনা–গল্প।বিকেল হলে বটতলায় বসত গানের আসর। হারমোনিয়াম বাজিয়ে গাইতেন শিল্পীরা। গান শুনতে মানুষ জড়ো হতেন। সন্ধ্যা নামলেও হাটের আসর সাঙ্গ হতো না।
বিক্রেতারা চেরাগ জ্বালিয়ে দিতেন। দিনের আয়োজন তখন আলো পেত ছোট ছোট শিখায়। কেনাবেচা চলত সেই আলোতেই।ইতিহাস গ্রন্থে চট্টগ্রামের পটিয়ার এই হাটের নাম পাওয়া যায় ‘রামসুন্দর মিস্ত্রির হাট’। পরে পরিচিতি পায় থানার হাট নামে। দীর্ঘ পথচলায় হাটটির সঙ্গে জড়িয়েছে পটিয়ার গ্রামের উৎপাদন, মানুষের প্রয়োজন আর বহু পরিবারের জীবিকা। গ্রামের পথ পেরিয়ে কৃষকেরা আসতেন ফসল নিয়ে।
বেচাকেনার ফাঁকে পরিচিতজনের সঙ্গে দেখা–সাক্ষাতেরও কেন্দ্র হয়ে ওঠে হাটটি।আরাকান সড়কের ধারে ছিল এই হাট।
সূত্র: প্রথম আলো