খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ননতা ত্রিপুরা, রিপাই মারমা ও চেউং মারমা। এই তিন নারীর কাজ ও জীবনযাপনের ধরন আলাদা। তবে প্রতিদিনের শ্রম, জীবিকার অনিশ্চয়তা, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব আর সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের স্বপ্নে মিল রয়েছে। তাঁদের জীবন শুধু অভাবের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প নয়, নিজের উপার্জনের পথ তৈরি করে পরিবার ও সমাজে নিজের অবস্থান গড়ে তোলারও গল্প।
জুমের কাজ করে তাঁত বোনেন ননতাখাগড়াছড়ির পানছড়ির দুর্গম পদ্মিনীপাড়ার বাসিন্দা, ৫০ বছর বয়সী ননতা ত্রিপুরার দিন শুরু হয় ভোরের আলো ফোটার আগেই। চতুর্থ শ্রেণিপড়ুয়া ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রায় এক কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পেরিয়ে পানি আনতে যান। বাড়ি ফিরে রান্না ও ঘরের কাজ সেরে তাঁকে স্বামীর সঙ্গে ছুটতে হয় জুমে; স্বামী–স্ত্রী সেখানে সারা দিন কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকেন।
জুমের লতাগুল্ম, ঝোপঝাড়, গাছপালা পোড়ানো থেকে শুরু করে বীজ বপন, ফসলের পরিচর্যা ও ফসল তোলা—সব কাজেই ননতা সমান অংশীদার।
সূত্র: প্রথম আলো