বৈশাখের দুপুর। রাস্তার পিচ গলে যাচ্ছে, মাথার ওপর রোদ। এর মধ্যে হঠাৎ চোখ তুললে দেখা যায়, একটা গাছ পুরো লাল। তার পাশেই আরেকটা, সেটা হলুদে ডুবে আছে। গাছ দুটি এত কাছাকাছি যে ডালে ডালে ছোঁয়া লেগে যায়। লালটাকে সবাই কৃষ্ণচূড়া বলে। হলুদটা রাধাচূড়া। অনেকে ভাবে, গাছ একটাই, শুধু ফুলের রং আলাদা। কথাটা ঠিক নয়।কৃষ্ণচূড়া আর রাধাচূড়া আলাদা প্রজাতির গাছ। কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Delonix regia।
রাধাচূড়ার নাম Peltophorum pterocarpum। নাম দুটি মুখস্থ করার দরকার নেই। শুধু জেনে রাখো, দুটির বংশ আলাদা। তবে দূরের একটা আত্মীয়তা আছে। দুটিই শিম-মটরের পরিবারের গাছ। ধরে নাও, তারা দূরসম্পর্কের ভাইবোন। যমজ নয়।ফুল দেখলেই তফাতটা বোঝা যায়। কৃষ্ণচূড়ার ফুল বড়। পাঁচটা পাপড়ির চারটা গাঢ় লাল, পঞ্চমটার গায়ে সাদা-হলুদ ছোপ। গাছে ফুল ফুটলে পাতা প্রায় দেখাই যায় না।
দূর থেকে মনে হয়, ডালে আগুন ধরেছে।রাধাচূড়ার ফুল ছোট, রং উজ্জ্বল হলুদ।
সূত্র: প্রথম আলো

কীভাবে বুঝবেন আপনি একই সঙ্গে অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী?
৩ হাজার বছর আগে সন্তানকে দেওয়া এক পুণ্যবান বাবার ৯ উপদেশ
প্রতিনিধি পরিষদে ২৬১ ও সিনেটে ৫৬ আসনে জিততে পারেন ডেমোক্র্যাটরা
এআই উদ্ভাবন না করলেই হয়তো ভালো হতো: জিওফ্রি হিন্টন
সাদাপোশাকে তল্লাশির পর দুই পুলিশ সদস্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে তুলে মারধর

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন