সাতজন ফরোয়ার্ড আছেন দলে। তাঁদের চারজনেরই সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তারপরও গতকাল ভুটানের বিপক্ষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে আক্রমণভাগের কেন্দ্রে দেখা গেল একজন ডিফেন্ডারকে। রাইটব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে বানিয়ে দেওয়া হলো দলের নাম্বার নাইন!গোল করার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁদের রেখে একজন ডিফেন্ডারকে কেন গোলের খোঁজে পাঠালেন কোচ? বাংলাদেশের ফুটবলে কি সত্যিই স্ট্রাইকারের এত অভাব?
নাকি যাঁরা আছেন, তাঁদের তৈরি করা কিংবা ব্যবহার করার ক্ষেত্রেই ঘাটতি? প্রশ্নগুলো উঠেছে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের পর।জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই সেন্টার ফরোয়ার্ডের ভূমিকায় খেলেছেন বিশ্বনাথ। ৬৫ মিনিট ছিলেন এই পজিশনে। অথচ জাতীয় দলে তাঁর পরিচিতি রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে। ক্লাব ক্যারিয়ারেও সাতটি পজিশনে খেলেছেন। কিন্তু সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে কখনো নয়।
কোচ টমাস ডুলির ভাবনা ছিল, বিশ্বনাথের গতি, শারীরিক শক্তি ও নিরন্তর দৌড় প্রতিপক্ষের রক্ষণে অস্বস্তি তৈরি করবে।
সূত্র: প্রথম আলো

ভিনিসিয়ুসের জন্য আমি রিয়ালের ক্ষতি করতে পারি না: মরিনিও
দেশের মাটিতে প্রথম ৫ উইকেট, ‘স্পেশাল’ কীর্তির আনন্দ হাসানের
প্রথম ইনিংসে ব্যাট করার মতো অবস্থায় নেই সাদমান
হাসান মাহমুদের দিনে বাংলাদেশের আশা হৃদয়–মুশফিক
৫ উইকেট: বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সবার ওপরে হাসান

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন